🇧🇩 বাংলাদেশের বিমান বাহিনীতে নতুন যুগের সূচনা
বাংলাদেশ চীনের কাছ থেকে অত্যাধুনিক ২০টি জে-১০সি (J-10CE) যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি সম্পন্ন করেছে বলে নিশ্চিত করেছে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। এই চুক্তির মোট মূল্য ২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৭,০০০ কোটি টাকা।
চুক্তিটি বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি “Forces Goal 2030” কর্মসূচির অংশ হিসেবে করা হয়েছে, যার উদ্দেশ্য বিমান বাহিনীকে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর শক্তিতে রূপান্তর করা।
✈️ জে-১০সি যুদ্ধবিমানের বৈশিষ্ট্য
চীনের তৈরি এই জে-১০সি বিমানকে আধুনিক মাল্টি-রোল ফাইটার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি একই সঙ্গে আকাশযুদ্ধ (Air-to-Air) এবং স্থল আক্রমণ (Air-to-Ground) উভয় মিশনে সক্ষম।
বৈশিষ্ট্য:
উন্নত AESA রাডার সিস্টেম
PL-15 দীর্ঘপাল্লার মিসাইল ব্যবহারযোগ্য
Mach 2.2 গতিতে উড়তে সক্ষম
উন্নত এভিওনিক্স ও রাডার সেন্সর
উচ্চমানের কম্পোজিট বডি স্ট্রাকচার
আধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম
💰 চুক্তির গুরুত্ব
প্রথম ধাপে ১২টি এবং দ্বিতীয় ধাপে ৮টি মিলিয়ে মোট ২০টি জে-১০সি বিমান ক্রয় করা হবে। চীনা বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশে এসে বিমান পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রশিক্ষণ দেবেন।
এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের বিমান বাহিনী দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আধুনিক ফাইটার স্কোয়াড্রন গঠন করতে যাচ্ছে।
🧭 কৌশলগত প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া
বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের রাফাল ও পাকিস্তানের জে-১০সি ফাইটার স্কোয়াড্রনের পর এবার বাংলাদেশও একই স্তরের যুদ্ধবিমান হাতে পাচ্ছে।
এটি আঞ্চলিক শক্তি ভারসাম্যে নতুন অধ্যায় তৈরি করবে এবং বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষায় আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে।
⚠️ সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ
যদিও এটি দেশের প্রতিরক্ষা খাতে বড় অগ্রগতি, কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে —
রক্ষণাবেক্ষণ খরচ ও যন্ত্রাংশ নির্ভরতা
ইঞ্জিন পারফরম্যান্স নিয়ে পূর্ববর্তী প্রশ্ন
আঞ্চলিক রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও কূটনৈতিক প্রভাব
🏁 উপসংহার
২০টি জে-১০সি যুদ্ধবিমান কেনার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর আকাশ প্রতিরক্ষায় নতুন যুগে প্রবেশ করছে। এটি শুধু সামরিক শক্তি বৃদ্ধিই নয়, বরং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।