
১৩ নভেম্বর ২০২৫, বৃহস্পতিবার — বাংলাদেশের রাজনীতি আবারও উত্তপ্ত। শেখ হাসিনার বিচারের রায় সামনে রেখে আওয়ামী লীগ সারাদেশে একদিনের লকডাউন আহ্বান জানিয়েছে।
এই ঘোষণার প্রভাবে রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেটসহ বড় বড় শহরে আজ সকাল থেকেই জনজীবন প্রায় অচল হয়ে গেছে।
🚧 রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা
রাজধানী ঢাকায় আজ সকাল থেকেই গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
পুলিশ, র্যাব, বিজিবি এবং প্রশাসনের একাধিক সংস্থা উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
সাধারণ নাগরিকদের অপ্রয়োজনে বাইরে না বের হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
🚌 যানবাহন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থা
সকালে কিছু বেসরকারি পরিবহন সীমিতভাবে চললেও দুপুর নাগাদ প্রায় সব বাস ও মিনিবাস বন্ধ হয়ে যায়।
বেশ কিছু স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় আজ ছুটি ঘোষণা করেছে।
রাজধানীর অনেক দোকানপাট ও মার্কেটও বন্ধ দেখা গেছে।
🔥 বিভিন্ন জেলায় উত্তেজনা
ঢাকার বাইরে নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, রংপুরসহ বিভিন্ন জেলায় সড়কে প্রতিবাদ ও বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।
কিছু এলাকায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
⚖️ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
এই লকডাউন কর্মসূচি মূলত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলমান মামলার রায় ঘিরে।
আওয়ামী লীগ নেতারা দাবি করেছেন, “এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা।”
অন্যদিকে, সরকারি সূত্র বলছে— ‘আইনের শাসন নিশ্চিত করতে’ বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে চলছে।
🛡️ সরকারের প্রস্তুতি
সরকারিভাবে বলা হয়েছে— দেশের নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে রয়েছে।
বিজিবি ও র্যাবের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্সও রাজধানী ও জেলা শহরগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে।
💬 সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া
সাধারণ মানুষ বলছেন— “আমরা শান্তি চাই। রাজনীতি যাই হোক, যেন জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ না ভাঙে।”
অনেক দোকানি ও শ্রমজীবী মানুষ আজকের লকডাউনের কারণে ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।
🌍 আন্তর্জাতিক নজর
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোও (যেমন: AP, BBC, The Daily Star, Dhaka Tribune) আজকের ঘটনাবলি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বর্তমানে “উচ্চ উত্তেজনাপূর্ণ” পর্যায়ে রয়েছে।